মুক্তগদ্য

পাহাড় প্রমাণ ঠিক বেঠিকের ভাবনা দেওয়াল পেরিয়ে যতদূর হাঁটা যায়, এস। সেখানে দেখা হোক আমাদের। বিগত শতাব্দীর আত্মা জুড়ে রয়েছে …

পাহাড় প্রমাণ ঠিক বেঠিকের ভাবনা দেওয়াল পেরিয়ে যতদূর হাঁটা যায়, এস। সেখানে দেখা হোক আমাদের। বিগত শতাব্দীর আত্মা জুড়ে রয়েছে সবুজ গন্ধ, একশ কোলাহলে ঢেকে যায় সে গন্ধের তরঙ্গ। চারদিকে বড় শব্দ। ভাষাদের লড়াই, কথার জট ছাড়ানো এসব পুরোনো, সাতপুরো ধুলো বুকে জমিয়ে আজ সে প্রাচীন এক রুগী। হাঁফ ধরে যায়
তার কথায় কথায়।

আমি সুর ছুঁতে বেড়িয়েছি। খুব খুঁজছি তাই, সুরের সময়রেখাকে। নকল সময়গুলোকে বেসুরের ঝুলিতে মুড়ে কোনো অন্ধকার বিকেলের কুলুঙ্গিতে রাখলে নজর পড়ে না। সুরের বিয়োগ বা ভাগ নেই, শুধু হৃদয় যোগ করা ক্ষোভের ঝুলি উপুড় করে, ক্রমশ…. ক্রমাগত। ছদ্মবেশী উপস্থিতের বাঁধন খুললে মুক্তি পাবে আকাঙখিত অনুপস্থিত। সময় শরীর অতীন্দ্রিয় মোহে ডুবে যায় প্রেমের অনুপস্থিত তানে।

ডুবুরির পোশাকে গান পেড়ে নেওয়া যায় আকাশ থেকে খুব সহজেই। সুর ঝরে গাছের মনে, মেঘেদের বাগিচার গোপন ঝরনায় স্নান করলে জ্বলে ওঠে সুরের আগুন। আত্মার নির্লিপ্ত মোমবাতি জ্বললেই শুন্য আমি পূর্নাঙ্গ রূপ পাবে তুমি’ র। এটা বোধহয় তোমার জানা, কারণ কোনো ভাষায় কোনো স্কুলে শেখানো হয়না এ শিক্ষা।

খেতে না পাওয়া, ধুঁকতে থাকা চোখের মণিও চকচকিয়ে ওঠে সে সুরে, মুক্তো খোঁজে, মনে মনে রামধনুর রঙ মাখে। সমস্ত কাঁটা, পাথরের ধাক্কা উপেক্ষা করে ঠিক এখানেই তোমার হৃদয়ের স্বর আমাকে ডুবিয়ে দেয়। খুঁজে পাই সেই সুর।আগুনের আলিঙ্গনে শুদ্ধ হই। তোমার প্রেমে নিজেকে হারিয়ে নতুন রূপে খুঁজি।

Keep reading

More >