সফোর জাতীয় সঙ্গীত

সফোদের জ্ঞানগম্যি নিয়ে আমার মাঝে মাঝেই তুমুল সন্দেহ জাগে। মানে জিকে-র কথা বলছি। আমি নিজে এই ক্ষেত্রে রাখাল লেভেলে। মানে …

সফোদের জ্ঞানগম্যি নিয়ে আমার মাঝে মাঝেই তুমুল সন্দেহ জাগে। মানে জিকে-র কথা বলছি। আমি নিজে এই ক্ষেত্রে রাখাল লেভেলে। মানে সুকুল স্কেলে দেখলে (ক্যুইজ মাস্টার অভিজিৎ সুকুলকে দশ ধরলে) আমি ওই পৌনে দুই, আচ্ছা চলো দুই। কিন্তু আশেপাশের লোকজনের জিকে মাপতে কেলভিন স্কেল লাগবে।

যেমন ধরো, আজ যা হল। আমি খেতে খেতে বললাম, “কাল আবার স্বাধীনতা দিবস। আবার জাতীয় সঙ্গীতের গুষ্টির পিণ্ডি হবে।” হায়দ্রাবাদী জিজ্ঞাসা করল, “আবার কী হল?” আমি বললাম, “গাও দেখি জাতীয় সঙ্গীত। তারপর বলছি।” তা সে তালে ঠিক। বলে খেতে খেতে এবং বসে বসে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে নেই। আমি বললাম, “ছাড়ো। এমনিই বলো। কবিতার মতো।” সে শুরু করতেই আমি থামালাম —  “এই জিনিসটা, ঠিক এই জিনিসটার জন্যেই বলছি। জ্যানো গ্যানো ম্যানো আবার কী? ঠিক করে গাও। বলো জনগণমন…” সে হেসে গড়িয়ে পড়ে বিষম খায়-খায় — “ক্যয়া রোহণ, আপ সব কুছ পাকাড়কে বেঙ্গলি কর দেতে হো।”

প্রসঙ্গত, যাকে ওরা লক্স বলে, আমি তাকে ডাকি লক্ষ্য। বা যাকে বলে মাধু, আমি তাকে মধু বলি। শরৎ, পূর্ণ, তরুণ ইত্যাদি শুনে অনেকেই রেগে যায় বা হাসে। আমি ওদের বোঝাই — “তুম নর্থ ইন্ডিয়ান বালো নাম কা ফালুদা বানাতে হো। মৃগ্যা ক্যয়া ভাই! মৃগি রোগি লাগতা হ্যায়। বোলো মৃগয়া। মিঠুনদা কা নাম শুনে হো?” সেসব না হয় হল। তা বলে জাতীয় সঙ্গীতের বাঙালিত্ব নিয়ে প্রশ্ন! সেই থেকে বিষম রেগে আছি। এই রাত আটটাতেও ব্যাটা অফিসে বসে আছে। কাল সকালের মধ্যে আটত্রিশটা ইস্যুর রুট কজ অ্যানালিসিস দরকার আমার। ঠ্যালা সামলা।

Keep reading

More >